জিপিএতেই পাবলিক পরীক্ষা, তবে সর্বোচ্চ সূচক হবে ৪

জেএসসি, এসএসসি, এইচএসসি ও সমমানের পাবলিক পরীক্ষায় গ্রেড পয়েন্ট অ্যাভারেজ (জিপিএ) পদ্ধতিতেই ফল প্রকাশিত হবে। তবে ফলের সর্বোচ্চ সূচক জিপিএ-৫–এর পরিবর্তে ৪ হবে।

গ্রেডের স্তর নির্ণয়ে তিনটি বিকল্প প্রস্তাব নিয়ে কাজ করছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। প্রস্তাবগুলো শিগগিরই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হবে। তবে আগামী জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষা থেকে নতুন এই পদ্ধতি চালুর পরিকল্পনা চলছে।

২০০১ সালে পাবলিক পরীক্ষার ফলাফলে সনাতন পদ্ধতিতে নম্বর দেওয়ার পরিবর্তে গ্রেড পদ্ধতি চালু করা হয়। ২০০৩ সালে সর্বোচ্চ ৫ সূচকের (পয়েন্ট বা স্কেল) ভিত্তিতে ফল প্রকাশ করা হয়।

 

দেশের বিশ্ববিদ্যালয়সহ পৃথিবীর অধিকাংশ দেশে পরীক্ষার ফল সর্বোচ্চ ৪ সূচক (সিজিপিএ) ধরে করা হয়। তবে পাবলিক পরীক্ষায় কিউমুলেটিভ গ্রেড পয়েন্ট অ্যাভারেজ (সিজিপিএ) পদ্ধতিতে ফল তৈরির সুযোগ নেই। কারণ, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কয়েকটি বছরের ফল যোগ করে সিজিপিএ পদ্ধতিতে প্রকাশ করা হয়। কিন্তু জেএসসি, এসএসসি, এইচএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষায় একটি পরীক্ষার ভিত্তিতে ফল তৈরি হয়। তাই এখানে জিপিএ পদ্ধতিতেই ফল তৈরি করা হবে। এ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সূচক ৪ ধরে বিদ্যমান গ্রেডের সাতটি স্তরের পরিবর্তে ১৩টি করার একটি প্রস্তাব তৈরি করা হচ্ছে। বিকল্প হিসেবে আরও দুটি প্রস্তাব রয়েছে।

বর্তমানে গড়ে ৮০ থেকে ১০০–এর মধ্যে নম্বর পেলে সেটিকে জিপিএ-৫ বলা হয়। যাকে লেটার গ্রেডে বলা হয় ‘এ’ প্লাস।

গ্রেডের বিদ্যমান স্তরে পার্থক্যটা বেশি। এখানে কেউ গড়ে ৮০ নম্বর পেলেও সর্বোচ্চ সূচক জিপিএ-৫, আবার কেউ গড়ে ৯৯ নম্বর পেলেও একই ফল। অন্যদিকে ৭৯ পেলেও মাত্র ১ নম্বরের জন্য জিপিএ-৫ হয় না। এ জন্য বিদ্যমান স্তরকে আরও বেশি করাসহ তিনটি প্রস্তাব নিয়ে কাজ করছেন তাঁরা।

2 Comments

  1. ২০২১ সাল থেকে CGPA-4 কার্যকর হবে এবং পাস মার্ক ৪০ ধরা হয়েছে।এখন আর ৩৩ পাস মার্ক থাকবে না।পাস মার্ক থাকবে ৪০

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*